_*🍁প্রশ্ন▪︎👉 আমার ছেলে ক্লাস নাইনে পড়ে। বুদ্ধিমান তবে পড়ায় রুচি তেমন নেই। আশীর্বাদ করুন যাতে সে মানুষের মত মানুষ হয়।🍁*_
_*📝স্বামী সোমেশ্বরানন্দ*_
*=======================*
●●● _আমার শুভেচ্ছা রইলো তার প্রতি। *বাবা হিসেবে আপনি নিজের কর্তব্য করে যান। কিন্তু মনে রাখবেন তারও নিজস্ব ইচ্ছা পছন্দ স্বপ্ন আছে। অতএব তার সাথে মাঝে-মাঝে কথা বলুন। আপনার চিন্তা ও তার চিন্তার মিলন কিভাবে করা যায় তা দেখুন।*_
_একটা কথা। *"মানুষের মতো মানুষ" বলতে আপনি কি বোঝাচ্ছেন? লক্ষ্যকে বিশেষভাবে (specific) চিহ্নিত করুন আগে। ঠিক কি চান? কেমন মানুষ করতে চাইছেন তাকে? নেতাজীর মতো? রবিঠাকুর? সত্যেন বসু না হেমন্ত মুখার্জী? লক্ষ্যটা স্পষ্ট হলে এবার পথ ও কর্মপদ্ধতি নিয়ে চিন্তা করুন। পদক্ষেপগুলি যৌক্তিক ও নির্দিষ্ট হওয়া দরকার। চিন্তায় স্পষ্টতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজে সফল হবার জন্যে।*_
*~~~~~~~~🍁~~~~~~~~~*
_*🪷প্রশ্ন ● 👉কেউ দেহত্যাগ করলে অশৌচ হয় কেন? জন্ম গ্রহণ করলেই বা অশৌচ পালন করা হয় কেন?🪷*_
_*✍️স্বামী সোমেশ্বরানন্দ*_
➖➖➖➖➖🕉️➖➖➖➖➖
●●● *'অশুচি' ঘৃণা অর্থে নয়, স্বাস্থ্যবিধি হিসেবে। আগেকার যুগে নবজাত শিশু মায়ের কাছেই থাকতো। সেই সময় অন্যরা যদি মায়ের কাছে বেশি আসেন তবে তা শিশুর পক্ষে খারাপ হতে পারে, জীবাণু সংক্রমণে। তাই শিশুকে একটা সময় পর্যন্ত আলাদা রাখার দরকার স্বাস্থ্যকর কারণে। এজন্য মা'কেও আলাদা রাখা হতো। দাই-মা'ই শুধু যেতেন রক্ষণাবেক্ষণের জন্য। মা'কে আলাদা রাখার কারণেই অশৌচ শব্দটা ব্যবহার করা হতো। অর্থাৎ সেই সময় মায়ের কাছে যাওয়া restricted.*
মৃত্যুর পর প্রয়াত ব্যক্তির পরিবারের লোকেরা শোক পালন করে। *সে-সময় তারা উৎসবে বা সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ না করে প্রয়াত ব্যক্তির জন্য প্রার্থনা করবে, এই উদ্দেশ্যেই "অশৌচ" অর্থাৎ জনতা থেকে আলাদা থাকা। যেমন বর্তমানে অনেকে শ্মশান বা হাসপাতাল থেকে ফিরে স্নান করেন, পুরণো পোশাক ছেড়ে নতুন কাপড় পরেন।উদ্দেশ্য, জীবাণুমুক্ত হওয়া।*
এসব সামাজিক নিয়ম-বিধি নানা কারণে মানা হতো। *কিছু স্বাস্থ্যগত, কিছু ঐক্যের কারণে, পরিবেশ রক্ষায়, সাংস্কৃতিক, পারিবারিক ....।* আর কতগুলি *প্রতীক* হিসেবে। ধর্ম অর্থাৎ কর্তব্য হিসেবে মানুষ এসব মানতো। *যেমন বর্তমানে রাজনেতা মরলে পতাকা অর্ধেক নামিয়ে রাখা হয় সরকারী ভবনে।*
➖➖➖➖➖🕉️➖➖➖➖➖
No comments:
Post a Comment