Wednesday, 14 October 2026

SRK

 _*🪷প্রশ্ন ●👉 একটুতেই রাগ হয়। একজনের উপর রাগ অন্যের উপর গিয়ে পড়ে। কি করব?🪷*_

*_________🕉_______*

_*📝স্বামী সোমেশ্বরানন্দ*_

*____________________*

●●● _মনোবিজ্ঞানে একে *displaced anger বলে।* রাগ নানা কারণে হয়। আপনার ক্ষেত্রে মূল কারণটা না জানলে আমার পক্ষে সমাধান দেওয়া কঠিন। যাই হোক সংক্ষেপে বলি, *বাড়িতে রাগ হলে কিছু সময়ের জন্য অন্য জায়গায় চলে যান। লম্বা শ্বাস নিন ও ছাড়ুন ২ মিনিট। কিংবা বাথরুমে গিয়ে চোখে-মুখে জলের ঝাপটা দিন ১ মিনিট। এবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মুখ দেখতে থাকুন। শ্রীশ্রীমা'র ছবির সামনে বসে কল্পনা করুন যে তিনি আপনাকে দেখছেন*।_

     _এই তাৎক্ষণিক সমাধানগুলির ২-১টি অভ্যাস করে দেখুন। *কিন্তু গভীরে যেতে হলে কিছু বিষয় বোঝা দরকার তাত্বিক ও প্রায়োগিক দিক থেকে। এ বিষয়ে "টেনশন কমানোর উপায়" বইটি দেখতে পারেন।*_

*===×===×===×===×=*

_*🌸প্রশ্ন ●👉 বলা হয়েছে, জপ মনে করবে, ঠোঁট কি জিভ পর্যন্ত নড়বে না। কিন্তু ঠোঁট বা জিভ কি হালকাভাবে নড়তে পারে?🌸*_


_*📝স্বামী সোমেশ্বরানন্দ*_

*____________&_______*

●●● _জপ তিনভাবে করা যায়। পুজোর সময় পুরোহিতের জপ বাচিক কারণ অন্যেও শুনতে পায় শব্দ। আর উপাংশু জপে শব্দ শুধু জপকর্তা শোনেন কারণ এ হয় আস্তে-আস্তে। *কিন্তু মানসিক জপ📿চলে মনে-মনে, ফলে ঠোঁট জিভ নড়ে না।*_

     _বাচিক জপে শক্তি বেশ কিছুটা বাইরে যায়, উপাংশুতে সামান্য। *কিন্তু মানসিক জপে পুরো শক্তিই ভেতরে যায় বলে সবচেয়ে বেশি ক্রিয়াশীল। এজন্যই মানসিক জপে বেশি জোর দেয়া হয়। তবে বর্তমানে আপনার যদি এতে অসুবিধা হয়, ঠোঁট জিভ হালকাভাবে নাড়িয়ে উপাংশু জপ করতে পারেন। কিন্তু মাঝে-মাঝেই চেষ্টা করুন মানসিক জপের যাতে মন্ত্রজপের ফল বেশি করে পান।*_ 

*===×===×===×===×=*

_*প্রশ্ন ●👉 আপনি লিখেছেন, মৃত্যু হারিয়ে যাওয়া নয় আমার কাছে"। এর অর্থ কি তা বিশদ ভাবে বলবেন?🍁*_


_*📝স্বামী সোমেশ্বরানন্দ*_

*____________________*

●●● _এ কথা লিখেছি কারণ এটা আমি দেখেছি, প্রত্যক্ষভাবে। *"সাধন জীবনের দিনলিপি" পড়লে এমন অনেক ঘটনার কথা জানতে পারবেন। ঐ বইয়ে নেই এমন এক ঘটনা বলি এখানে*।_

      _পরিচিত এক মেয়ে হঠাৎ মারা গেলে তার শ্রাদ্ধের দিন সকালে কিছু ঘটনা অনুভব করি। *যদিও তার বাড়ি থেকে ১৫০০ কি.মি'র বেশি দূরের এক জায়গায় ছিলাম। সন্ধ্যায় চেয়ারে বসে কিছু লিখছিলাম আজকের মতোই। কিছু বাদে চেয়ারে হেলান দিয়ে চোখ বুঁজে ২-৪ মিনিট বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। হঠাৎ চোখের সামনে মেয়েটিকে দেখি খুব আনন্দে মাছের ঝোল খাচ্ছে। মুখে হাসি*।_

      _পরদিন তার এক আত্মীয়াকে ফোন করে প্রশ্ন করি -- *ঐ মেয়েটির শ্রাদ্ধে কি কি খেতে দেওয়া হয়েছিল? তিনি বলেন, নিরামিষ ভোগ ছিল। শুনে ভাবলাম যে ঐ মাছ খেতে দেখাটা আমার মনের ভ্রম। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই তিনি বলেন - আমরা নিরামিষ দিলেও প্রতিবেশি এক ভদ্রমহিলা মাছ রান্না করে এনেছিলেন। যেহেতু তিনি খুব ভালবাসতেন মেয়েটিকে সেজন্য আমরা ঐ মাছের রান্নাও নিবেদন করেছিলাম*।_

    _তখন তাকে ঐ ঘটনার কথা শোনাই। বলি, *মেয়ে খুব তৃপ্তি করে হাসিমুখে মাছ খেয়েছে মনে হচ্ছে। চিন্তা নেই, তার আত্মা শান্তিতে আছে।*_

*~~~~~~🔻~~~~~~~*

No comments: